পর্যটনের আনন্দে, তুলসীমালার সুগন্ধে - শেরপুর

গারো পাহাড় ঘেরা পর্যটন সমৃদ্ধ শেরপুর জেলা। ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত ছবির মত সুন্দর এই শেরপুর জেলায় আপনিও আমন্ত্রিত। আমাদের শেরপুর জেলাকে ব্রান্ডিং করতে শেরপুর জেলার তরুণদের প্রয়াস “আমাদের শেরপুর”। বিভিন্ন তথ্যমূলক প্রামাণ্য চিত্র, ব্লগিং, ভার্চুয়াল ও ট্র্যাডিশনালি আমরা কাজ করছি, শেরপুরকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে। শেরপুর জেলার আরো তথ্য পেতে “আমাদের শেরপুর” মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

Available on :

এক নজরে শেরপুর

শেরপুরের পূর্ব কথার কিছু উল্লেখ না করলে অনেক জানার বিষয় অজানাই থেকে যাবে
পাহাড়ে ঘেরা শেরপুর

নদী-খাল-বিল ও পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা শেরপুর এক সময় স্বাভাবিক প্রাকৃতিক সীমার মধ্যে স্বাতন্ত্র্য লাভ করেছিল। আকাশ খুব পরিষ্কার থাকলে শহর থেকেই উত্তর আকাশে গাঢ় নীল রঙে আঁকা পাহাড়ের রেখা দেখা যেতো। এখনও শহর থেকে বের হয়ে উত্তর সীমান্তে অগ্রসর হতে থাকলে আকাশে পাহাড়ের গাড় নীল আবছায়া স্পষ্ট হতে থাকে। সেটাই গারো পাহাড়।

অবস্থান

বাংলাদেশের উত্তর সীমান্তে মেঘালয়ের তুষার-শুভ্র মেঘপুঞ্জ ও নীল গারো পাহাড়ের স্বপ্নপটে, মানস সরোবর থেকে হিমালয় ছুঁয়ে নেমে আসা ব্রহ্মপুত্র এবং ভোগাই, নিতাই, কংশ, সোমেশ্বরী ও মালিঝির মত অসংখ্য জলস্রোতের হরিৎ উপত্যকায় গড়ে ওঠা প্রাচীন জনপদ শেরপুর। শেরপুর থেকে জামালপুর পর্যন্ত ১০ (দশ) মাইল প্রশস্ত ব্রহ্মপুত্র পারাপারের জন্য কড়ি নির্ধারিত ছিল দশকাহন। এ থেকে ব্রহ্মপুত্র উত্তর-পূর্ববর্তী পরগনার নাম হয় দশকাহনীয়া বাজু।

নামকরণ

অনুমিত হয় খ্রিস্টীয় অষ্টাদশ শতকে এ বাজুর জায়গীরদার হয়ে গাজীবংশের শের আলী গাজী বর্তমান গাজীর খামার বা গড়জড়িপা হতে ২১ বৎসরকাল তাঁর শাসনকার্য পরিচালনা করেন। আর এই কিংবদন্তি শাসকের নামে এ এলাকার নামকরণ করা হয় শেরপুর।

ইতিহাস

বৃটিশ আমলে এবং পাকিস্তান আমলে এর নাম ছিল শেরপুর সার্কেল। জমিদারী আমলে ১৮৬৯ সালে শেরপুর পৌরসভা স্থাপিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেরপুরকে ৬১ তম জেলা ঘোষণা করেন। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে এ সিদ্ধান্ত স্থগিত হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে শেরপুরকে মহকুমা, ১৯৮৪ সালে শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করে জেলার ৫ টি থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়।

আমাদের শেরপুর । পর্ব ২ “ঢাকা টু গজনী”

ইমরান হাসান রাব্বীর গ্রন্থনা ও উপস্থাপনায় “আমাদের শেরপুর” প্রামাণ্যচিত্রের ২য় এপিসোড “ঢাকা টু গজনী”। গারো পাহাড়ে ঘেরা শেরপুরের গজনী অবকাশ কেন্দ্রে কিভাবে আসবেন, কি দেখবেন, কি দিয়ে আসবেন, কোন বাসের ভাড়া কত এবং বাসের ফোন নম্বর সহ বিশদ বিবরণ আছে এ ভিডিওতে।

আমাদের শেরপুর অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন?

প্রশ্ন । মতামত । পরামর্শ